রোযার নিয়ত সংক্রান্ত মাসআলা
মাসায়েল
রমযানের রোজার নিয়তঃ
نَوَيْتُ اَنْ اَصُوْمَ غَدًامِّنْ شَهْرِ رَمَضَانَ الْمُبَارَكِ فَرْضًا لَّكَ يَا اَللّٰهُ فَتَقَبَّلْ مِنِّى اِنَّكَ اَنْتَ السَّمِيْعُ الْعَلِيْمُ-
উচ্চারণ : নাওয়াইতু আন আছুম্মা গাদাম মিন শাহরি রমাদ্বানাল মুবা-রাকি ফারদাল্লাকা ইয়াআল্লাহু ফাতাক্বাব্বাল মিন্নী ইন্নাকা আনতাস সামীউ’ল আলীম ।
সকল রোযার বাংলা নিয়ত
বাংলা
নিয়ত: হে আল্লাহ ! আপনার সন্ত্তষ্টির
জন্য আগামীকালের রমদ্বান শরীফ- এর ফরয (অথবা নফল বা মান্নতের রোযার যেই রোযা হয়না
কেন সেই রোযার কথা বলেবে)রোযা রাখার নিয়ত করছি। আমার তরফ থেকে আপনি কবুল করুন।
নিশ্চয়ই অপনি সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞাত।
মাসআলা :
নিয়ত বলা হয়
অন্তর বা মনের ইচ্ছাকে, কাজেই কোনো ব্যক্তি যদি মনে মনে নিয়ত করে রোযা রাখে তাহলে
তার রোযা আদায় হবে। তবে রোযার নিয়ত আরবী বা নিজের ভাষায় মুখে উচ্চারণ করা সুন্নত। (হিন্দিয়া ১/১৯৫, বেহেশতী যেওর ৩/৩।)
মাসআলা : রোযার জন্য নিয়ত করা শর্ত। ফরয, ওয়াজিব বা নফল কোনো
রোযাই নিয়ত ছাড়া আদায় হবে না। (হিন্দিয়া ১/১৯৫, বেহেশতী যেওর
৩/৩।)
মাসআলা : রমযানের রোযা ও নির্দিষ্ট মান্নতের রোযার জন্য শুধু
রোযার নিয়ত অথবা যেকোনো রোযার নিয়ত করলেই আদায় হবে। (হেদায়া ১/২১২। হিন্দিয়া ১/১৯৫।)
মাসআলা : রমযানের রোযা ও নির্দিষ্ট মান্নতের রোযার নিয়ত রাত থেকে
সূর্য পশ্চিমাকাশে ঢলে পরার পূর্বেই করতে হবে। এরপরে করলে রোযা হবে না। (হেদায়া ১/২১২। হিন্দিয়া ১/১৯৫।)
মাসআলা : রমযানের কাযা, কাফফারা ও অনির্দিষ্ট মান্নতের রোযার জন্য
সুবহে সাদিকের পূর্বেই নিয়ত করতে হবে। সুবহে সাদিকের পরে নিয়ত করলে রোযা হবে না। (হিন্দিয়া ১/১৯৪, বেহেশতী যেওর ৩/৭৮)