রোযার ফযীলত
হযরত আবূ হুরায়রা রাযি. থেকে বর্ণিত, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন, আল্লাহ তায়ালা বলেন, আদম সন্তানের প্রত্যেক আমল তার নিজের জন্য (অর্থাৎ বান্দা সব ইবাদত তার নিজের জন্যই করে ) তবে রোযা কেবল আমার জন্য এবং আমি নিজেই তার প্রতিদান। (বুখারী শরীফ হাদীস নং ১৯০৪, মুসলিম শরিফ, হাদীস নং  ১৬৩।)
অন্য হাদীসে নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন, আদম সন্তানের প্রত্যেক আমলের সওয়াব ১০ (দশ)থেকে ৭০০ (সাতশত) গুণ বৃদ্ধি পায়। আল্লাহ তায়ালা বলেন, তবে রোযা এর ব্যতিক্রম। কেননা রোযা কেবল আমার জন্য এবং আমি নিজেই এর প্রতিদান। কারণ রোযাদার তার কামভাব ও পানাহার আমার জন্যই বর্জন করেছে। আর রোযাদারের জন্য রয়েছে দুটি আনন্দময় মুহূর্ত ১. ইফতারের সময়। ২. তার  পালনকর্তার সঙ্গে সাক্ষাতের সময়। আর রোযাদারের মুখের গন্ধ আল্লাহর কাছে মেশকের ঘ্রাণের চেয়েও অধিক সুগন্ধিময়। (মুসলিম শরীফ হাদীস নং  ১৬৪)
হযরত আবূ হুরায়রা রাযি. থেকে বর্ণিত, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন,যে ব্যক্তি ঈমান ও একীনের সঙ্গে রমযানের রোযা পালন করবে তার পেছনের সমস্ত গুনাহ মাফ করে দেয়া হবে। (বোখারী শরীফ, হাদীস নং ১৯০১।)
 
Top